মাশরাফি ভাইয়ের ইনজুরি থেকে ফিরতে একটু সময় তো লাগবেই
আমার মনে হয় কয়েকটা ম্যাচ গেলেই উনি আবার আগের জায়গায় ফিরবেন
মাশরাফিকে নিয়ে এটা সাকিবের আশাবাদ
কিন্তু যখন এ ধরনের কথাই তিনি বলেন প্রতিপক্ষ জিম্বাবুয়েকে নিয়েও সেটা আশঙ্কাই
সিরিজের বাকি তিন ম্যাচে জিম্বাবুয়ে তাদের স্বরূপে আবির্ভূত হতে পারে বলে সতর্কবার্তা অধিনায়কের
জিম্বাবুয়ে অধিনায়ক এলটন চিগুম্বুরাও পরোক্ষে জানিয়ে রাখলেন আমরা শুরু থেকেই ম্যাচ ধরে ধরে চিন্তা করছি
এ ম্যাচটা হারলেও পরের ম্যাচে জিতলে সিরিজ জয় খুবই সম্ভব
বাংলাদেশেরও চিন্তা সেটাই—একটা একটা করে ম্যাচে এগোনো
সাকিব যেমন এই একটা একটা করে ম্যাচ এগিয়েই কাল খেলে ফেললেন নিজের শততম ওয়ানডে! অভিনন্দন সাকিব
শততম ওয়ানডের জন্য তো বটেই মাত্র তিন দিনের মধ্যে সত্যিকারের অধিনায়ক হয়ে ওঠার লক্ষণ প্রকাশের জন্যও
১০০তম ম্যাচ আসলে গুরুত্বপূর্ণ নয়
ম্যাচ জেতাটাই গুরুত্বপূর্ণ—নিজের শততম ম্যাচকে দলের সামনে এতটাই গৌণ করে রাখলেন বাংলাদেশ অধিনায়ক
রাজ্জাকের স্বপ্নপূরণ
মানুষ নাকি তাঁর স্বপ্নের সমান বড়
তাই যেদিন থেকে ঠিক করেছেন ক্রিকেটার হবেন সেদিন থেকেই স্বপ্ন দেখার শুরু
স্বপ্নের কোনো সীমানা নেই তাই ডুব দিয়ে চলে যেতেন অনেক গভীরে
হ্যাটট্রিক করবেন এরপর টানা চার বলে চার পাঁচ বলে পাঁচ এক ওভারে ছয় উইকেট নিয়ে গড়বেন ইতিহাস! পরক্ষণেই ভাবতেন ধ্যাৎ এসব সত্যি হয় নাকি! করপোরেট লিগে বিমানের হয়ে আবাহনীর বিপক্ষে একবার হ্যাটট্রিক করেছিলেন কিন্তু আন্তর্জাতিক ক্রিকেট তো অন্য জিনিস!
আবদুর রাজ্জাক দেখলেন স্বপ্ন কীভাবে সত্যি হয়
ওভারে ছয় উইকেট নেওয়া হয়নি তবে ইতিহাস গড়া তো হয়েছে! হ্যাটট্রিক ব্যাপারটা এমন যে শুধু ভালো বোলার হলেই চলবে না সঙ্গে ভাগ্যের ছোঁয়া থাকাটাও জরুরি
৩৯ বছরের ইতিহাসে ওয়ানডে ক্রিকেট খেলেছেন ১৯৪০ জন ক্রিকেটার বোলিং করেছেন ১৩৩১ জন উইকেটের স্বাদ পেয়েছেন ১১৭২ জন
এঁদের মধ্যে হ্যাটট্রিক আছে মাত্র ২৪ জনের
গণ্ডিটাকে আরেকটু কমিয়ে আনলে দুজন মাত্র স্পিনারের হ্যাটট্রিক আছে ওয়ানডেতে আর বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে রাজ্জাকই প্রথম ইতিহাস নয় তো কী! বাংলাদেশের মাটিতেও এটি প্রথম ওয়ানডে হ্যাটট্রিক
এত দিনের লালিত স্বপ্ন পূরণ হলে আনন্দটা বাঁধভাঙাই হওয়ার কথা
কিন্তু রাজ্জাককে দেখে সেটা বোঝার উপায় কোথায় হ্যাটট্রিকের পর মাঠেই যা একটু উদ্বেল হলেন ম্যাচ শেষে বাড়তি উচ্ছ্বাস নেই চেহারায় বা কণ্ঠে
যেন দিনটা আর দশটা দিনের মতোই
প্রথম বাঁহাতি স্পিনার হিসেবে হ্যাটট্রিকের কথা বলার পরই কেবল একটু উজ্জ্বল হলো চেহারা তাই নাকি! জানতাম না তো
হ্যাটট্রিক এমনিতেই বড় একটা অর্জন
এখন তো মনে হচ্ছে আরও বড় কিছু করে ফেলেছি!
রাজ্জাকের আগে একমাত্র স্পিন হ্যাটট্রিক-নায়ক সাকলায়েন মুশতাকের শেষ হ্যাটট্রিকের সঙ্গে মিল আছে রাজ্জাকের হ্যাটট্রিকের
১৯৯৯ বিশ্বকাপে এই জিম্বাবুয়ের শেষ তিন উইকেট নিয়েই হ্যাটট্রিক হয়েছিল সাকলায়েনের রাজ্জাকেরও তাই
তবে সাকলায়েনের বলটি ছিল দুসরা রাজ্জাকেরটি ইয়র্কার মতন
রাজ্জাক জানালেন পরিকল্পনাও ছিল অনেকটাই সে রকমই যেটা করতে চেয়েছিলাম প্রায় সেটাই হয়েছে
ইয়র্কার নয় চেয়েছিলাম স্টাম্পে রাখতে
পোফুর পায়ে লাগার পরই বুঝেছিলাম আউট
শুধু হ্যাটট্রিকই নয় কাল রাজ্জাক বেশ কটি জায়গায় ছাড়িয়ে গেছেন নিজেকে
ওয়ানডেতে একাধিকবার ৫ উইকেট নেওয়ার কৃতিত্ব ছিল বাংলাদেশে কেবল তাঁরই কাল যোগ হলো আরেকটি
প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে এক ভেন্যুতে উইকেটের হাফ সেঞ্চুরিও করা হয়ে গেছে যে কৃতিত্ব কেবল আর নয় বোলারের
অথচ বছরটা তাঁর জন্য ভালো যাচ্ছিল না মোটেও
এই সিরিজের আগে ১৮ ম্যাচে ছিল মাত্র ১৬ উইকেট
এ জন্য দায় দিলেন অ্যাকশন বদলকে জানালেন মানিয়ে নিতে একটু সময় লেগেছে
মানিয়ে নেওয়ার পর দুই ম্যাচে ৯ উইকেট এত এত অর্জন
রাজ্জাক কিন্তু তার পরও ভীষণ বিনয়ী আমি আসলে অর্জনের কথা ভেবে খেলি না প্রতিটি ম্যাচে চেষ্টা করি এমন খেলতে যাতে পরের ম্যাচটা নিশ্চিত হয়
অর্জন যা হবে তা ক্যারিয়ার শেষে দেখা যাবে
গ্রামীণ ব্যাংকের ব্যাখ্যা
তহবিল সরানোর বিষয়টির নিষ্পত্তি হয় ৯৮ সালেই
গ্রামীণ ব্যাংক তহবিল সরানোর অভিযোগের প্রতিবাদ করে বলেছে ১৯৯৮ সালেই বিষয়টির নিষ্পত্তি হয়ে গেছে
নরওয়ের পক্ষ থেকে সে সময় চিঠি দিয়ে বিষয়টি সুরাহা হওয়ায় সন্তোষও প্রকাশ করা হয়েছিল
গতকাল শুক্রবার এক প্রতিবাদপত্রে গ্রামীণ ব্যাংক আরও বলেছে নরওয়ের টেলিভিশনে প্রচারিত প্রামাণ্য-চিত্রে এমন ধারণা দেওয়া হয়েছে যে তহবিল স্থানান্তরের বিষয়টি গোপন করা হয়েছে
অথচ বিষয়টি গোপন ছিল না বরং ছিল ভিন্নমতের সৎ প্রতিফলন
গ্রামীণ ব্যাংকের মহাব্যবস্থাপক এম শাহজাহানের পাঠানো ওই প্রতিবাদে বলা হয়েছে আমরা এ জন্য দুঃখিত যে মুহাম্মদ ইউনূস ও গ্রামীণ ব্যাংকের বিরুদ্ধে বিভ্রান্তিকর ও যথার্থ নয় এমন সংবাদ প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়েছে দেখে অনেক বন্ধু ও শুভাকাঙ্ক্ষী মানসিক যন্ত্রণায় ভুগছেন
বিশ্বের বিভিন্ন পত্রিকায় অধ্যাপক ইউনূসের বিরুদ্ধে নিজের একটি প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ অর্থ পাচারের অভিযোগ-সংক্রান্ত সংবাদ ছাপানো হয়েছে
এমনকি একটি সংবাদ সংস্থার খবরের শিরোনাম করা হয় “স্ট্যাশিং অব হান্ড্রেড মিলিয়ন ডলার বাই নোবেল লরিয়েট প্রফেসর ইউনূস”
গত ৩০ নভেম্বর নরওয়ের টেলিভিশনে প্রচারিত ফ্যাংগেট আই মাইক্রোজেল্ড শিরোনামে প্রামাণ্যচিত্রের ওপর ভিত্তি করে ওই সব সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে
১ ডিসেম্বর বার্তা সংস্থা বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমও এর ওপর ভিত্তি করে সংবাদ প্রকাশ করে
গ্রামীণ ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ ওই কর্মকর্তার পাঠানো প্রতিবাদপত্রে বলা হয়েছে গ্রামীণ ব্যাংক নোবেল পুরস্কার বিজয়ী একটি ব্যাংক
প্রতিষ্ঠানের স্বচ্ছতা ও গরিব মানুষকে দেওয়া সেবা নিয়ে আমরা গর্ব করি
আমরা সব পাঠককে নিশ্চিত করতে চাই এসব সংবাদ প্রতিবেদন সম্পূর্ণ বানোয়াট ও ভিত্তিহীন
১৯৯৮ সালের ৮ জানুয়ারি অধ্যাপক ইউনূসের লেখা চিঠির মাধ্যমে আমাদের পটভূমির সম্পূর্ণ চিত্র তুলে ধরা হয়
সংবাদমাধ্যমে এ-সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশের পাশাপাশি ওই চিঠিও প্রকাশ করা হয়
ওই চিঠি ও সংবাদটি পড়লে যেকোনো পাঠকই বুঝতে পারবেন সাম্প্রতিক এসব সংবাদ প্রতিবেদন কতটা ভিত্তিহীন
গ্রামীণ ব্যাংকের সঙ্গে গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠানের চুক্তি করার ক্ষেত্রে কোনো অনিয়ম বা ভুল নেই
দরিদ্রদের কল্যাণের উদ্দেশ্যে সৎ উদ্দেশ্য ও বিশ্বাস নিয়ে যথাযথ পরামর্শ গ্রহণের মাধ্যমে গ্রামীণ ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এই চুক্তি করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেয়
দাতাদের বরাদ্দ করা অর্থ ঋণগ্রহীতাদের জন্য সম্ভাব্য সুবিধাজনক উপায়ে ব্যবহারের কথা বিবেচনা করে ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদ এই পদক্ষেপ নেয়
এ ক্ষেত্রে আর্থিক ব্যবস্থাপনার জন্য গ্রামীণ ব্যাংককে দায়বদ্ধ রাখা হয়
গ্রামীণ ব্যাংকের কার্যক্রম সম্প্রসারণের তৃতীয় পর্যায়ে নোরাড ও অন্যান্য দাতা সংস্থার কাছ থেকে ব্যাংক যে অর্থ বরাদ্দ পায় তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে দুই পক্ষের মধ্যে শর্ত ছিল বরাদ্দ করা অর্থের সুদের হার দুই শতাংশে নির্দিষ্ট করা থাকবে এবং এই সুদের অর্থ গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা ও কর্মীদের সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট ফান্ড এসএএফ বা সামাজিক বিকাশ তহবিল গঠনে ব্যবহার করা হবে
এসএএফ গঠনের প্রস্তাবটি ছিল আমাদের এবং দাতারা সাগ্রহে এতে রাজি হয়
গ্রামীণ ব্যাংক মনে করেছে এসএএফের ব্যবহার গ্রামীণ ব্যাংকের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখলে এবং এর ব্যবস্থাপনা ব্যাংকের হাতে থাকলে এই তহবিলের যথাযথ ব্যবহার সম্ভব হবে না
গ্রামীণ ব্যাংকের মূল কার্যক্রম ঋণ প্রদান কর্মসূচি সব সময়ই অগ্রাধিকার পেয়েছে
গ্রামীণ ব্যাংকের পক্ষে এর সদস্য ও কর্মীদের জন্য কল্যাণমূলক কর্মসূচি সৃষ্টি করার ক্ষেত্রে যথেষ্ট মনোযোগ দেওয়া সম্ভব না-ও হতে পারে
আরও উল্লেখ করার বিষয় হলো গ্রামীণের “কর অব্যাহতি”সুবিধা পাওয়ার সময়সীমা ১৯৯৬ সালের ৩১ ডিসেম্বর শেষ হয়
ওই সময় তৎকালীন সরকার গ্রামীণ ব্যাংকের জন্য “করের আওতামুক্ত থাকার” সুবিধার মেয়াদ আরও বাড়াবে কি না তা অনিশ্চিত ছিল
সরকার যদি এই সময়সীমা না বাড়াত তাহলে ওই তহবিলের জন্য যে ব্যয় হতো তা গ্রামীণ ব্যাংকের খরচ হিসেবে বিবেচনা করা হতো না
এতে এসএএফের বিপরীতে ৪০ শতাংশ কর দিতে হতো যার পরিপ্রেক্ষিতে গ্রামীণ ব্যাংককে দাতাদের বরাদ্দ করা অর্থের বিপরীতে দুই শতাংশ হারে সুদ দেওয়া বন্ধ করতে হতো বা এই হার কমিয়ে দিতে হতো
অধ্যাপক ইউনূস ১৯৯৮ সালের ৮ জানুয়ারি লেখা চিঠিতে বিষয়গুলো ব্যাখ্যা করেন
এ পরিস্থিতিতে একটি নতুন সংস্থা গঠন করার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়
ফলে সুদ হিসেবে পাওয়া ওই অর্থ ব্যবহারের জন্য গ্রামীণ কল্যাণ নামের প্রতিষ্ঠান চালু করা হয়
গ্রামীণ ব্যাংক বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বোর্ড সিদ্ধান্ত ৪২৮ এপ্রিল ২৫ ১৯৯৬ ১৯৯৬ সালে গ্রামীণ কল্যাণ প্রতিষ্ঠা করা হয়
গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা ও কর্মচারীদের যাদের শতকরা ৯০ ভাগ নিম্ন আয়ের পরিবার থেকে আসা লাভের জন্যই এটা করা হয়
বাংলাদেশের প্রখ্যাত চার্টার্ড অ্যাকাউন্ট্যান্ট প্রতিষ্ঠান রহমান রহমান হক অ্যান্ড কোম্পানির মতামত নিয়েই গ্রামীণ কল্যাণ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে
কোম্পানি আইন অনুযায়ী গ্রামীণ কল্যাণ একটি অলাভজনক প্রতিষ্ঠান
ব্যক্তিগতভাবে কেউ এর শেয়ারের মালিক হতে পারেন না
এই কোম্পানির লাভ ভাগ করে নেওয়া যাবে না এবং কোম্পানির ঘোষণা করা লক্ষ্য অনুযায়ী এর কার্যক্রমের পরিধি বাড়ানোর কাজে ওই মুনাফা ব্যবহার করা যায়
কোম্পানির ঘোষিত লক্ষ্যের মধ্যে রয়েছে গ্রামীণ ব্যাংকের সদস্য ও কর্মীদের জন্য প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা ও শিক্ষা নেওয়ার ব্যবস্থা করা
পরিচালনা পর্ষদের গৃহীত সিদ্ধান্তের ক্ষমতাবলে এবং গ্রামীণ ব্যাংক ও গ্রামীণ কল্যাণের মধ্যে হওয়া চুক্তি অনুযায়ী ৩৯১ কোটি ৭০ লাখ ১৪ হাজার টাকার তহবিল সৃষ্টি করা হয়
পর্যায়ক্রমে জাতীয় মুদ্রায় অর্থ স্থানান্তরের মাধ্যমে এই তহবিল গড়ে তোলা হয়
ওই তহবিলের নিয়ন্ত্রণ বা মালিকানা কখনোই গ্রামীণ কল্যাণের কাছে দেওয়া হয়নি
তহবিল গড়তে পর্যায়ক্রমে অর্থের এই স্থানান্তর এবং গ্রামীণ ব্যাংকে এই অর্থ ঋণ আকারে ফেরত আনার মাধ্যমে এখান থেকে সুদ আদায়ের সুযোগ সৃষ্টি হয়
ওই সুদের অর্থ ঋণগ্রহীতাদের জন্য সৃষ্টি করা এসএএফে জমা হয়
গরিবদের কল্যাণের জন্যই এই আর্থিক উদ্ভাবন
গ্রামীণ কল্যাণ ওই তহবিলের ওপর ধার্য করা দুই শতাংশ হারে সুদ পেতে থাকে
সুদের এই অর্থ গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতা ও কর্মীদের শিক্ষার সুবিধা ও অন্যান্য সেবা নিশ্চিত করতে ব্যবহার করা হয়
এসএএফে সুদের আয় থেকে জমা হওয়া অর্থ দিয়ে গ্রামীণ কল্যাণ যেসব কর্মসূচি পরিচালনা করে সেগুলোর মধ্যে রয়েছে
১ ঋণগ্রহীতাদের মেধাবী সন্তানদের উচ্চশিক্ষায় আর্থিক সহায়তা দেওয়া
২ শিক্ষা ক্ষেত্রে সাফল্যের স্বাক্ষর রাখা মেধাবী সন্তানদের ঋণগ্রহীতাদের বৃত্তি দেওয়া
৩ গ্রামে স্বাস্থ্যসেবা কেন্দ্রের মাধ্যমে স্বল্পমূল্যে ঋণগ্রহীতাদের স্বাস্থ্যসেবা দেওয়া
বর্তমানে এই কর্মসূচির অধীনে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫১টি স্বাস্থ্যকেন্দ্র চালু করা হয়েছে
৪ চিকিৎসার জন্য ঋণের ব্যবস্থা করা এবং ব্যাংকের কর্মী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের জন্য সহায়তা কর্মসূচি পরিচালনা
৫ কর্মীদের সংসার চালাতে সহায়তার জন্য ঋণ কর্মসূচি পরিচালনা
ব্যাংকের পরিচালনা পর্ষদের নেওয়া পদক্ষেপ ওই তহবিল ব্যবস্থাপনার জন্য সবচেয়ে ভালো উপায় হিসেবে বিবেচিত হয়েছে
পর্ষদের সদস্যদের মধ্যে আছেন গ্রামীণ ব্যাংকের ঋণগ্রহীতাদের মাধ্যমে নির্বাচিত নয়জন প্রতিনিধি ও সরকারের ঊর্ধ্বতন পর্যায়ের তিনজন প্রতিনিধি
